ক্রাইম,ড্রামা। আমার খুব পছন্দের একটা জেনার। মনমুগ্ধ হয়ে এই মুভিগুলো উপভোগ করার জন্যই।
সাধারনত মুভিগুলো সত্যিকার কাহিনি অবলম্বনেই করা হয়। যাতে করে ব্যাপারটা আর সুন্দর করে মানুষের কাছে উপস্থাপন করা যায়। নিয়মিত বের হছে অজস্র ক্রাইম, ড্রামা ফিল্ম । কোটিদের ভিড়ে City of God বেচে থাকা একটা জিনের মত। সপ্তাহ হলো দেখলাম। এরকম অসাধারন ইন্টারটেইনমেন্ট খুব কম মুভিতেই পেয়েছি। ২ ঘণ্টার মুভি চোখের পলকে সময় গিললো। টেনে ছেচড়ে নিয়ে গেল ব্রাজিলে, একটা নষ্ট সময়ে, অরক্ষিত পরিবেশ এবং অসম্মানের দেশে।
পৃথিবি ধ্বংস হবে !!! আর এই টপিকে কত না মুভি আছে। যে যার লজিক নিয়েই আছে। প্রতিনিয়ত বের হচ্ছে বেশ ভালো ভালো মুভি। কেউ লজিক আনছে অংকে,কেউ সায়েন্সে,কেউ ফিউচার টেলে, কেউ প্রকৃতীর বিরুদ্ধে যাবার ষড়যন্ত্রে। কথা ঐ একটাই পৃথিবী বেশিদিন নেই। যেয় যায় অবস্থা।
আর থিমের উপরে নির্মিত মুভি Knowing । অভিনয় করেছেন Nicolas Cage । কেজের অভিনয়টা এখানে ভালোভাবেই ফুটেছে। কিন্তু আর একটু দরকার ছিলো। কাহিনির সাথে তাল রেখে কিছুটা সাস্পেন্স মুর্তি তার মাঝে দেখতে চাওয়াটা খুব স্বাভাবিক।
পৃথিবির কোনো জিনিষি ফেলনা না। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। হয়তো অনেকেরও একই মতামত। এবং এই মুভিরো একই মতামত। সবকিছু যে নিয়মতান্ত্রিক। এবং প্রকৃতিপ্রদত্ত। তার একটা ক্লাসিকফিকেশনে ঢুকে এই মুভি ভাবা হয়েছে।
কিছু কিছু মুভি থাকে যেগুলো একটূ ট্রাকের বাইরে ভাবা হয়েছে, এবং যেগুলো সভাবতই মনের উপর হালকা একটু চাপ দেয়। ভাবতে শেখায়। ভাবায়। মনে রাখায়। Awake নির্মিত হয়েছে রকমের একটা টপিকের উপরে। মৃত্যু। সব থেকে সহজ এবং অমুলদ হিসাব। এই টপিকে হাজার মুভি রয়েছে, খুব কমন। আমি গোটা দশেক দেখেছি। তাদের ভিতরে এটাই আমার কাছে সব থেকে ভালো লেগেছে।
২২ বছর বয়সি Clay Beresford মুল চরিত্র। ব্যাবসায়িক এবং পারিবারিক দিকে সে খুব সফল। anesthetic awareness এ সে আক্রান্ত হয়ে একটা প্রাইভেট হসপিটালে ভর্তি হয়। এক পর্যায়ে তার হার্ট সার্জারি জারী হয়। অপারেশন থিয়েটারে তার আন্তা তার থেকে বের হয়ে আসে। পুরো মুভিটা ওখানেই শুরু ওখানেই শেষ।
এর আগে পোষ্ট করেছিলাম হলিঊড থেকে কপি করা বলিঊড মুভি। সেখানে প্রায় ২০০ মুভি ছিল। ২০০৭ সালের আগের মুভিগুলোর লিষ্ট ছিল। এবার আপডেট করলাম। এখানে পাবেন ২০০৭ সালের পর থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কপি পেষ্ট করা মুভি। এমন কিছু কপি আছে যা দেখে মাথা ঠীক রাখা দায়। দেখা যাক আপনাদের কেমন লাগে।
বিঃদ্রঃ এখানে কিছু মুভি আছে যেগুলো ফ্রেম বাই ফ্রেম কপি। আবার কিছু আছে ছায়া অবলম্বনে। আবার কিছু আছে আইডিয়া একই। সবকিছুর বিস্তারিত বলা সম্ভব না। যেটা জানার দরকার আমাকে জানালে আমি বলে দিব। কমেন্টকরবেন আশা করি।
হলিউড আভাটার নিয়ে বিশ্বে অনেক মাতামাতি হয়েছে। আমদের অনেকেরই জানা নেই বলিউডে একটা আভাতার আছে। দুটোর মাঝে আছে অদ্ভুদ কিছু মিল। আসুন দেখি।
পোষ্টার এক
দুটোতেই নায়ক প্যারালাইসড থাকে
পোষ্টার এক
দুটোতেই নায়ক প্যারালাইসড থাকে
এটাও মারভেলের এবং সুপারহিরো মুভি। মারভেল জাত চিনেছে। আয়রন ম্যানের পর এরকমের মুভি করা শুরু করেছে। যতটা আশা করেছিলাম তার থেকে অনেক বেশি পেয়েছি থোর দিয়ে। থোর মুল চরিত্র। Asgard দেশের রাজপুত্র সে। সম্প্রতি তার রাজা হবার কথা। কিন্তু কিছু কর্মকান্ড এবং অতিরিক্ত বদ মেজাজের জন্য তার পিতা তাকে পৃথিবিকে নিক্ষেপ( একটি টাইম মেশিং বা ঐ টাইপের ট্রান্সফার যন্ত্র বাবস্থার মাধমে) করে। শাস্তি সরুপ তার প্রধান অস্ত্র বিশালাকার হামারটাকে অকেজ করে দেওয়া হয়। হামারটার সংস্পর্শ পৃথিবিতে এসে পেলেও সে সেটা কাজে লাগাতে পারেনা,। পৃথিবিতে তার আগমন বিজ্ঞানি সমাজে বেশ আলোড়োন তোলে। নায়িকা চরিত্রে অভিনয় করেছেন অস্কার বিজয়ী, আমার পছন্দের এবং সেরা অভিনেত্রি নাটালি পোর্টমান। তার মুখদিপ্ত দেখেই প্রশান্তি ।
A Clockwork Orange !!! ধ্রুপদী সঙ্গীত,ধর্ষণ ও অতিমাত্রায় সহিংসতা এর মূল আকর্ষন।
Stanley Kubrick এর পরিচালনা, Malcolm McDowell এর অভিনয় আর টানটান কাহিনির সমন্বয়ে এটা একটা টাইমবোম্বে পরিনত হয়েছে। কিছু মুভি থাকে যার কোনো তুলনা হয় না। এটা সেরকমেরই একটা মুভি। আমার দেখা সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। ব্যক্তিগতভাবে একে আমি রেটিং দিব ৯.৫ ।
এটি প্রধান চারটা শাখায় অস্কার নোমিনেশন পেলেও জিওততে পারেনি। সেবার অস্কার ঘরে নিয়েছে
The French Connection
যাই হোক, কিছু মুভি আছে যা আলোচনার অন্তহিন। মানে যা নিয়ে ঘন্টারপর ঘন্টা আলোচনা করা যায়। এটা সেরকম একটা মুভি।
সুপার হিরো মুভি!!!! সাথে মার্ভেল। যারা হলিঊড দেখেন তারা এই নামটার সাথে বিশেষভাবে পরিচিত। X-Men। আর X-Men মানেই Hugh Jackman। এখানে রয়েছে ভিন্নতা।এটা প্যিকুয়াল। তাই এখানে Hugh Jackman অনুপুস্থিত।
এখানে তুলে ধরা হয়েছে আমাদের সবার পরিচিত প্রফেসর এক্স এর সুপারহিরো হবার পেছনের কাহিনি।
১৯৬২ সাল। ৩য় বিশ্বযুদ্ধএর আয়োজন চলছে। তার সাথে X-Men দের একটা সম্পর্ক। সেটা ঠেকানো। আর এর উপরেই কাহিনি আগাবে। সেরকম প্যাচের কোনো কাহিনি না। দেখলেই বুঝতে পারবেন।
Personal Rating: 6.5
১৯৬২ সাল। ৩য় বিশ্বযুদ্ধএর আয়োজন চলছে। তার সাথে X-Men দের একটা সম্পর্ক। সেটা ঠেকানো। আর এর উপরেই কাহিনি আগাবে। সেরকম প্যাচের কোনো কাহিনি না। দেখলেই বুঝতে পারবেন।
Personal Rating: 6.5
বাংলাদেশের
প্রতিটি শিক্ষার্থি এই সিরিজটা পড়েছে। এবং আমার মত তারাও বেশ মজা পেয়েছে। ৪-৫ টা
বাদে রানার সকল বই কোনো না কোনো বইয়ের ছায়া অবলম্বনে বা রুপান্তর। আর সেসব রাশিয়ান,থাইলান্ড এবং ইংলিশ বইয়ের কাহিনি নিয়েও তৈরী
হয়েছে মুভি। আমি এখন সেরকম কিছু মুভির নাম বলবো। MR-9 ফ্যানরা,
এখন ভিজুয়ালে পাবে রানার স্বাদ। ব্লগার, মুভি পাগলা দ্বিপের নতুন আকর্ষন। তো আর দেরি নয় শুরু করা যাক।
প্রথমে
মাসুদ রানার সেরা ২ টা বইয়ের ইংলিশ মুভির নাম দেই।




