Showing posts with label Review. Show all posts
Showing posts with label Review. Show all posts
আমরা যারা ৯০ তে জন্মেছি তারা অবশ্যই স্টার মুভিজ , ওয়ার্ল্ড সিনেমা , এইচ,বি,ও দেখে বড় হয়েছি। আমরা কিছুতেই আমাদের সিনেমা প্রেমে নিকোলাস কেইজকে
অস্বীকার করতে পারবনা। আইডিবি ঘুরে ঘুরে কেইজের সিনেমার ডিভিডি এনে এক
নিশ্বাসে গিলে ফেলা। সেই সময়টা যেরকম সুন্দর- এখন অনেক মুভি দেখে ফেলার
পরেও যখন দু-একটা কেইজ আবার দেখা হয় আরও ভালোলাগে, এই সময়টাও দারুন সুন্দর।
গতকাল দেখলাম Wild at Heart (1990) ।
W. Somerset Maugham এর উপন্যাস নিয়ে এই মুভি দাড় করানো হয়েছে। আমি মমের এয়ার হোষ্টেজটা পড়েছি। হাড়ির একটা ভাত টিপলেইতো বোঝা যায়। যতদুর মনে হলো লোকটা মানব মানবির সাইকোলজি
নিয়ে লিখে মজা পান, যেটা আমাদের কবিগুরুও পেতেন। যাই হোক
এটা হলো সেই মুভি যাতে মনমুগ্ধকর পরিবেশ,ভালোবাসার একটা নিরেট
সঙ্গা, Edward Norton, Naomi Watts দুজন বিখ্যাত অভিনয়
শিল্পী আছেন।
হুট করে বিয়ে হয় ফেনের সাথে কিটির, কিন্তু
সহসাই যেটা হয় কেউ একজন থাকতেই পারে। সেরকম কিটিরও একজন প্রেমিক আসে। বিয়ের পরেও
তারা শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকে। ফেন জেনে ফেলে, যদিও
কিছু বলেনা। কিন্তু ভালোবাসার এই স্থিতি কষ্ট তাকে আঘাত করে। সাংহাইতে এক গ্রামে
কলেরায় বেড়েছে, যেখানের ডাক্তারও কলেরায় মারা গেছে।
সেখানেই কিটিকে যেতে বলে ফেন, নিজের সাথে। কিটি রাজি না হওয়াতে
ফেন দুটি অপশন দেয়। ডীভোর্স অথবা ওখানে যাওয়া।প্রেমিকএর থেকে সাড়া না পেয়ে
কিটি যেতে রাজী হলো।
আবারও
রবীন্দ্রনাথ, আবারও ঋতুপর্ন। সাথে প্রসেঞ্জিত
এবং যিশু। রাইমা , রিয়া দুই বোন এক মুভিতে এবং বিপরীত
অভিনয় শিল্পী। নোউকাডুবি যারা পড়েছেন তারা জানেন একটু সাদাসিধে হলেও গল্পটা কত
অসাধারন। আর ঋতুপর্নের ছোয়ায় মুভিটিতে এসেছে নতুন প্রান। যদিও যুগের তালে ঋতুপর্ন
মুভিটিকে আডভেন্স আকারে প্রকাশ করেছেন। সেক্ষেত্রে রবীন্দনাথ থেকে অনুপ্রনিত বলা
চলে। ঘটনার মাড়প্যাচে, মুভির মাঝপথে মুভি এত জমে ওঠে,
সত্যি হা করে গেলার মত। আমার দেখা সেরা ১০ মুভির এটা একটা। এবং
অন্যতম। নিজের অনিচ্ছায় বাবার ইচ্ছায় বিয়ে করতে বাধ্য হয় রমেশ। । অথচ শহরে তার
প্রেয়সী তারই অপেক্ষায় খেলাঘর নির্মান করছে। ঝড়ের কবলে নৌকডুবি এড়িয়ে বউ নিয়ে শহরে
এসেও সে ভুলতে পারেনা তার প্রেয়সীকে। দমিয়ে রাখতে না পেরে সবকিছু লুকিয়ে তার
প্রেয়সী হেমাকে সে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। হেমা রাজি !!!
My Blueberry
Nights নাটালি পোর্টম্যান অভিনিত একটা চরম রোমান্টক ফিল্ম। নাটালি পোর্টম্যান আমার
দেখা হলিউডি সেরা নায়িকা। আর সেই থেকেই পরিচয় এই মুভির সাথে। রোমান্টিক ড্রামা
দেখেই ডাউনলোড করলাম। পরে জানা গেল এই ফিল্মের পরিচালকও বড়সড় মাপের একজন।
যাই হোক
ফিল্মটাতে পোর্টম্যান খুব অল্প সময়ে এবং পার্শচরিত্রে। কিন্তু মূল চরিত্রের থেকে
কোন অংশে কম আকর্ষনিয় ছিলনা।
জমজমাট অভিনয়
আর ব্যাখার ভিতরে দিয়ে এই মুভি নিজেকে পরিচয় করাবে নিজের সাথে। মুলত নায়িকার প্রেম
বিচ্ছেদকে কেন্দ্র করে কাহিনি প্রকাশ পেলেও আরও বেশ কয়েকটি ভালোবাসা ভিন্ন আঙ্গিকে
দেখান হয়েছে। আসলে ভালোবাসার প্রধান ভিত্তি হলো, সংগ,সান্তনা, আর একটু কাছে থাকার
প্রবনতা।
বিচ্ছেদ শেষে
নায়িকার পরিচয় ক্যাফের ছেলের সাথে, নিজের দুক্ষ ভুলতে পালিয়ে বেড়ায় সে, অজানায়।
পরিচিত হয় বেশ কিছু আকর্ষনিয় চরিত্রের সাথে। সবার একটা দুক্ষ থাকে, এবং সেটা যে
তার থেকে কম নয়, তা বেশ ভালোই বুঝতে পারে সে। সেইসব মানুষগুলোর দুক্ষের সময়ের
কার্যকলাপ তাকে সীধান্ত নিতে সাহায্য করে। ধীরেধীরে ভুলে যায় সে, হারানো ভালোবাসা।
কিন্তু ক্যাফে ছেলেটাযে তাকে ভালোবেসে পাগলের মত খুজছে। তার কি হবে ?
আমার রেটিংঃ
৪.৬
" সখি
ভাবনা কাহারে বলে,সখি যাতনা কাহারে বলে
তোমরা যে বল
দিবস রজনী,ভালোবাসা ভালোবাসা
সখি ভালোবাসা
কারে কয় ?
সেকি কেবলই
যাতনা ময়।
Dont Go Breaking My Heart হং-কং এর মুভি। আমার দেখা সেরা মুভিগুলোর একটা । এবং অবশ্যি সেরা রোমান্টিক মুভি।
এই মুভি বা এর গল্প এমন একটা টপিক নিয়ে আলোচনা করে যা আমরা সচরাচর দেখতে পাই।
তাহলো,
সুন্দরী, প্রেয়সী, আদরের, মুগ্ধকর, প্রানের মানুষটার একান্ত ভেতরকার একটা অপরিচিত
দ্বন্দ। ত্রিভুজ প্রেম । একজন সাদাসিধে, সৃজনশীল। ধ্যান জ্ঞান তার বোধ হয় নেই।
আরেকজন যেমন দেখতে, তেমন তার ক্যারিয়ার , তেমন পারসোনালিটি। ঝামেলাতো এখানেই।
যা
হয়! ওই সুদর্শনের প্রেমে না পরে মেয়ের উপায় আছে কোন। নেই । যা হবার তাই হলো।
কিন্তু নিয়তি। মানলো না। ভেঙ্গে দিল। আবার শুরু হলো সাদাসিধের সাথে প্রেম। কিন্তু
আবার ?
সুর্দশন
যে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে, ক্ষমা চাচ্ছে ? ওদিকে সাদাসিধে, বাবা মাকে জানিয়ে
বিয়ের আয়োজন করছে। চিরায়িত দন্দে মেয়ে, ভুগছে। মেয়েটার কার কাছে যাওয়া উচিত। মনে
রাখবেন ভালো কিন্তু দুজনেই সমান সমান বাসে । কিন্তু , এখন কি হবে ?
আমার
রেটিংঃ ৪.৮ (৫)
"
যদি আরও কারে ভালোবাস,যদি আরও নাহি ফিরে আসো।
তবে
তুমি যাহা চাও, তাহা যেন পাও, আমি যত দুক্ষ পাই গো।
My Rating: 3.1(05)
স্পেলবার্গের
মুভি। তার উপর আমার পছন্দের আনিমেশন। তাও
আবার থ্রিলার। বোঝাই যায়, এটা কতটা আকর্ষনিয়। আমার
কাছে অনেক ভালো লেগেছে। যদিও টিন টিন আমার আগে পড়া ছিলনা। যতদুর শুনি টিনটিনের বেশ কয়েকটা বই থেকে একটা পুর্নাঙ গল্প
তৈরী করা হয়েছে। ইফেক্ট খুব ভালো লেগেছে। সাস্পেন্সও
জমজমাট ছিল। টিনটিন মেলা থেকে একটা জাহাজ কিনে। খেলনা
জাহাজ। কিন্তু ওই জাহাজে লুকানো থাকে গুপ্তধনের কোড। এতদিনে সে খবর ডাকাত দল পেয়ে গিয়েছে। তাই
তারা
টিনটিনের থেকে জাহাজ চুরি করলো।
কিন্তু
সে জাহাজ ফাকা, কারন সেই জাহাজ থেকেই আগেই গুপ্তধন হারিয়ে গেছে। তাও আবার টিনটিনের বাসায়। টিনটিন
আবার তা খুজেও পেল। আর খুজে পেয়েই জরিয়ে গেল ঝামেলায়। একের
পর এক রহস্য বাড়ছে আর জট খুলছে। জন্ম হচ্ছে নতুন নতুন ঘটনার আর সৃষ্টি
হচ্ছে সাস্পেন্স। আর আমি মুভি দেখতে দেখতে কখন যেন টিনটিনের
আডভেঞ্চারের ফ্যান হয়ে গেলাম।
My Rating: 4.6(05)
কিছুদিন আগের একটা
কাহিনিঃ
রাস্তা দিয়ে
যাচ্ছিলাম। দেখি ছোট দুটো ছেলে মারামারি করছে। ৬ কি ৭ এর বছর এর বেশি না।
মারামারির এক পর্যায়ে একটা ছেলের পরিবার পক্ষ সেখানে উপস্থিত। ২য় ছেলেটার খাল খিছে
দিল। ঐটুকু ছোট বাচ্চাটাকে যে গালিগুলো শোনালো তা বলার মতো ক্ষমতা আমার
নেই। যাহোক, নাটকিয়ভাবে গালাগালি ও তর্ক বির্তক এগিয়ে যাচ্ছে। ছোট
ছেলেটা একাই পুরো পরিবারের সাথে তর্ক করছে। একটা সময়ে ২য় ছেলেটার পরিবার উপস্থিত।
বাবা ও মা। বাবা যেন কি বললো ১ম ছেলেটার পরিবারকে উদ্দেস্য করে। ঐ পরিবার থেকে
একজন ছুটে এসে বাবাকে লাথি মারলো। ছো্ট ছেলেটা, যে তর্ক করছিল, সে তখন বড় একটা ইট তুলে বিপরিত পক্ষকে ছুড়ে মারলো। আর
সামনে এগিয়ে গেল লাথি মারবে বলে। আমি এতক্ষন নিরব দর্শক হিসাবে সব দেখছিলাম। ঐটুকূ
ছেলের সাহস দেখে আমার মাথায় বাজ। তারপর ঠেকানোর চেষ্টা করলাম। অনেক কষ্টে কাজটা
করা সম্ভব হলো।
পরে বুঝতে পারলাম
আসলে সাহস না প্রতিশোধ স্পৃহা মানুষকে অমানুষ করে দেয়।
যাহোক কাহিনিটা কেন বললাম? মুভিটি দেখতে দেখতে এই কাহিনিটা বেশ মনে পড়ছিল।
মুভির কাহিনি কিছুটা বলি।
একজন মানুষকে
অকারনে ১৫ বছর আমানুষিক নির্যাতনের মাঝে বন্দি করে রাখা হয়। সে জানেনা কি কারনে
তাকে এই শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। একটু একটু করে এই বৃথা শাস্তি তাকে সাইকোতে
রুপান্তরিত করে।
ভাবতে থাকে কি
অপরাধ করেছে সে যাতে তাকে এত শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে। এক পর্যায়ে সে লিখতে শুরু করে
কার কার সাথে সে খারাপ ব্যবহার করেছে কিন্তু কোনো সমাধান পায়না। যাই করেছে তার
বিনিময়ে এত শাস্তি হওয়া স্বাভাবিক না।
যাহোক একসময়ে সে
ছাড়া পায়। নতুন করে দেখে পৃথিবিকে। হারিয়ে যাওয়া সপ্ন খুজে বেড়ায় সে। মনে
প্রতিশোধের আগুন। প্রতিশোধ কতটা করুন হতে পারে তা দেখে গা শির শির করবে।
কোরিয়ান কিছু কিছু মুভি বেশ দাগ ফেলে । এটা তেমন একটা মুভি। কিন্তু কিছুদুর গিয়ে মুভিটা তাল হারিয়ে ফেলবে। স্তব্দ হয়ে যাবেন নিশ্চিত। যেহেতু কোরিয়ান ভাষা, সাবটাইটেল বোঝার জন্য বারবার পজ করতে হবে।
কোরিয়ান কিছু কিছু মুভি বেশ দাগ ফেলে । এটা তেমন একটা মুভি। কিন্তু কিছুদুর গিয়ে মুভিটা তাল হারিয়ে ফেলবে। স্তব্দ হয়ে যাবেন নিশ্চিত। যেহেতু কোরিয়ান ভাষা, সাবটাইটেল বোঝার জন্য বারবার পজ করতে হবে।
যাহোক রেডি থাকবেন
শেষে একটা বিশাল ধাক্কা খেতে হবে নিশ্চিত। কেন যেন খুব রেগে যাবেন। আপনার এই রাগ
প্রমান করবে আপনি মুভিটির কতটা ভিতরে ঢুকতে পেরেছেন। যাহোক এই মুভি দেখে ১ সপ্তাহ
আপনার মাথা হ্যাং থাকবে নিশ্চিত। আপনার চিন্তা ভাবনাকে গ্রাস করবে। স্বাভাবিক।
আমার দেখা সেরা মুভির একটি।
আই এম ডিবি এটাকে
রেটিং দিয়েছে ৮'৪
My Rating: 4.6 (05)
আবার একটা ঝাক্কি ফিল্ম। মানে টুইষ্ট এন্ডিং আর কি। কানের নিচে থাবা খেতে ভালো লাগে তার প্রমান এসব ফিল্ম প্রেম। গিন্টিস ব্রাড পিট আর বাপজান মরগ্যান। সুপার মুভি। সপ্তপাপের আইডিয়াটা যদিও হাসান ভাই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আগে থেকে এরকমই ভেবেছিলাম। আইডিয়াটা জোশ হইছে। থ্রিলার মুভি। দুই গোয়েন্দা সল্ভ করে একটা কেসের। সিরিয়াল কিলারের। যারা নতুন এই মুভির সামুতে সার্চ দিয়েছেন, আর এই লিঙ্ক পেয়েছেন, তাদের বলছি এই মুভি দেখার জন্য কোনো রিভিউ পড়ার দরকার নেই। জাষ্ট প্লে করুন। বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু লাষ্টেরর ১০ মিনিট বার বার দেখবেন আশা করি।কেভিনের উপসস্থিতি ফিল্মটাকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছে। তারকাবহুল এই ফিল্ম থেকে ইতিমধ্যে নিশ্চয়ই অনেক আশা ব্যক্ত করে ফেলেছেন। গারান্টি আমার দেখতে বসে যান, শতভাগ উসুল হতে যাচ্ছে।
My Rating: 4.1 (05)
সেই রকমের প্রকৃতিপ্রদত্ত ফিল্ম। পরিবারের উপরে রাগ করে ঘর ছাড়লে। ভাগলে জঙ্গলে, বন্ধু হলো প্রেম হলো, বিভিতস জগত দেখা হলো। হাজার হাজার জানা হলো, করুনে মরা হলো। পেলেটাকি ?
শান্তি ? প্রশান্তি ? আক্ষেপ ? ক্ষমা ? অভিশাপ?
তাহলে, কি , কি কি ? পেলে কি ?
অনন্য সুন্দর একটা মুভি। এক কথায় এর প্রকাশ সম্ভব না।
শান্তি ? প্রশান্তি ? আক্ষেপ ? ক্ষমা ? অভিশাপ?
তাহলে, কি , কি কি ? পেলে কি ?
অনন্য সুন্দর একটা মুভি। এক কথায় এর প্রকাশ সম্ভব না।
My Rating: 3.2(05)আরেকটা কোপা মুভি। পরিচালনা করেছেন David Lean । T.E. Lawrence এর লেখনির উপরে ভিত্তি করী গল্প দাড় করানো হয়েছে। যতদুর জানা যায় সম্পুর্ন ব্যস্তব কাহিনির ভিত্তিতেই এটা তৈরী হয়েছে। আর অভিনয় করেছেন Peter O'Toole । একঝাক পাখির উড়ে যাবার মত প্রানবন্ত অভিনয় ছিল তার।
এপিক মুভির উপরে আমার বেশ দুর্বলতা আছে। যেমন কোপাকুপি ভেবেছিলাম সেরকমের একদমই না ফিল্মটা। আডভেঞ্চার ড্রামা বললে সুন্দর যায়। ওই আরব ও ততকালিন সমাজকে একটু চেখে দেখালেন পরিচালক। বিস্তারিতে যাবনা কথা বাড়বে, একটু একটু বলি, তাহলো প্রচুর ভিউ থেকে মুভিটি দেখা যায়।
My Rating: 4.2(05)
জার্মানি মুভি। পারফিউমের পরিচালক। অসাধারন সুন্দর করে নির্মান করেছেন। আইডিয়াটা কঠিন। হালের সোর্চ কোড মুভিটার আইডিয়া এটা থেকে কাট করা। হুবহু কপি না। আইডিয়াটা নেওয়া। মানেতো, বুঝতেই পারছেন।
৮০ মিনিটের মুভি ১০ মিনিট শেষ হলো। মুগ্ধ হয়ে মুভিটা দেখছিলাম। হঠাত করেই শেষ। ১০ মিনিট টাইম নিয়ে ভাবলাম । কি দেখলাম।
আসলে ঘটনাটা কি !!
ঘটনা তেমন কিছুই না একদম সাদাসিধে। তাই বলে আর মজা নষ্ট করছি না। সোজা বসতে যান। তখনই বুঝবেন কি থেকে কি দেখলেন।
My Rating: 3.8(05)
অনেকে রোমান্টিক কমেডি দেখে। আমার আবার পছন্দ না। রোমান্টিক ড্রামা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে। আমার মনে হয় দুনিয়ায় যত রোমান্টিক ড্রামা আছে তার ভিতরে এই মুভিটা এক নম্বর। অসাধারন একটা মুভি। যারা প্রেমে পরেছিলেন, পড়বেন বলে ভাবছেন, পরে হাবুডুবু খাচ্ছেন তা্রা এই ফিল্ম মিস করবেন না। করা উচিত হবে না। আমার দেখা সেরা রোমান্টিক। আহা, ভালোবাসা কত সুন্দর।কোরিয়ান মুভি। ভাষাগত সমস্যা। সাবটাইটেলে প্রান ভরেনা। পরতে গেলে সিন মিস, সিন দেখতে গেলে সাটা মিস।
অনেকে রোমান্টিক কমেডি দেখে। আমার আবার পছন্দ না। রোমান্টিক ড্রামা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে। আমার মনে হয় দুনিয়ায় যত রোমান্টিক ড্রামা আছে তার ভিতরে এই মুভিটা এক নম্বর। অসাধারন একটা মুভি। যারা প্রেমে পরেছিলেন, পড়বেন বলে ভাবছেন, পরে হাবুডুবু খাচ্ছেন তা্রা এই ফিল্ম মিস করবেন না। করা উচিত হবে না। আমার দেখা সেরা রোমান্টিক। আহা, ভালোবাসা কত সুন্দর।কোরিয়ান মুভি। ভাষাগত সমস্যা। সাবটাইটেলে প্রান ভরেনা। পরতে গেলে সিন মিস, সিন দেখতে গেলে সাটা মিস।
My Rating: 3.0(05)
লিয়াম নিসনর মুভি,টেকেন। ২০০৮ সালে রিলিজ করেই বক্স অফিসে একটা তাক লাগিয়ে দেয়। পাশাপাশি সমালোচকদেরও। রিভেঞ্জ নিয়ে ফিল্মের কাহিনি। বালপাকনা মেয়ে কিডন্যাপ আর তাকে উদ্ধার করা নিয়ে ফিল্ম। সেপারেশন এবং অন্য স্বামির হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের স্ত্রিকে একটা বিচ্ছেদে। কিন্তু নিজের মেয়ে,রক্ত কি ভোলা যায়। থেকে যায় টান ভালোবাসার।
মুভিতে বেশ চাঞ্চল্য ছিল। উত্তেজনাও ছিল। আর ছিল হলিঊডি থ্রিলিং মিউজিকের সাথে সাথে নৃত্যরত একশ্যন। খুব অল্পতেই সময় গিয়েছে। ধারি মুভি। চেনা জানা পল্ট। কিন্তু নতুনত্ত আছে।যারা সাধারনত প্রতিশোধ একশন টাইপ ফিল্ম পছন্দ করেন তাদের জন্য মাষ্ট সি। অন্যরা সময় পেলে দেখে নিবেন।

কিছু কিছু মুভি আছে যেগুলো দেখার পরও তার আবেদন কোনো অংশে ফুরায় না। Scent of a Woman ঠিক সেই ধরণের বিরল মুভিগুলোর একটা। মুভিটা দেখার পর স্তব্ধ হয়ে ভাবছিলাম, একটা মুভি কিভাবে এতটা হৃদয়গ্রাহী হয়! কোন রক্ত মাংশের মানুষের পক্ষে কিভাবে সম্ভব এতটা নিখুঁতভাবে নিজের চরিত্রকে রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা! আমার মনে হচ্ছিলো যে জীবনে আমার আর কোন মুভি দেখা হয় নাই! আর কোন মুভি জীবনে না দেখলেও ক্ষতি নাই!
মুভিটার নাম ভুমিকায় অভিনয় করেছেন Al Pacino ।ভদ্রলোকের অনেক মুভি দেখেছি আগে। কিন্তু বাজী ধরে বলতে পারি এই মুভিটা না দেখে যদি বলতাম "আমি আল পাচিনোর মুভি দেখেছি - তার অভিনয় আমার অনেক ভালো লাগে, তিনি একজন ওস্তাদ অভিনেতা" সেটা হতো মিথ্যা বলা! এই মুভিটা না দেখলে অভিনেতা আল পাচিনো কে চেনা যাবে না। জানা যাবে না কতো বড় মাপের অভিনেতা তিনি। স্যালুট টু আল পাচিনো! উল্লেখ্য, এই মুভিতে অভিনয় করে তিনি অস্কার পেয়েছিলেন।
পাঠক, বিশ্বাস করুণ, উপরের প্যারা দুটি দিয়ে আমি আমার মুগ্ধতার কিয়দংশ মাত্র প্রকাশ করেছি।আমি নগণ্য ব্লগার, কতোটুকুই বা আমার প্রকাশ ক্ষমতা! আমি আমার সীমিত লেখনিতেই প্রকাশ করলাম আমার ভালোবাসা। শুধু একটা কথাই বলতে পারি, এই মুভিটা দেখার পর এখন থেকে আল পাচিনো আমার চোখে অল টাইম বেস্ট। জানিনা কোনো দিন এই ধারণা পালটে দেয়ার মত আর কোনো অভিনেতা আসবেন কি না!
এবার নজর দেয়া যাক মুভির দিকে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফ্র্যাঙ্ক স্লেড (আল পাচিনো) একজন রিটায়ার্ড আর্মি অফিসার। অন্ধ, আত্যন্ত বিদ্ঘুটে মেজাজ। দুনিয়ার সব কিছুর উপর রেগে থাকা, বেঁচে থেকেও জীবনের উপর বীতশ্রদ্ধ এক হতভাগ্য ব্যাক্তি। জীবন একসময় তাকে সব দিয়েছিলো। কালের প্রবাহে আজ তিনি অন্ধ। একসময়ের পরাক্রমশালী আর্মি আফিসারের চোখে জীবন এখন শুধুই বোঝা মাত্র!
অন্যদিকে চার্লি সিমস (ক্রিস ও' ডোনেল) একটা স্বনামধন্য প্রিপারেটরী স্কুলের ছাত্র। তার আশে পাশের সবাই বিশাল অর্থবান পিতার সন্তান। কিন্তু সে আলাদা। সে এই স্কুলে পড়তে এসেছে স্কলারশিপ নিয়ে। বাবা মা থাকেন বহু দূরে, অরিগনে (USA) একটা কনভিনিয়েন্স স্টোর চালান তারা।
চার্লি বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি যাবে, কিন্তু বিমান ভাড়া নেই যে! কি আর করা পার্ট টাইম জব হিসাবে যোগ দিলো কর্ণেল এর সাহায্যকারী হিসেবে। উদ্দেশ্য বিমান ভাড়ার টাকা জমিয়ে বাড়ি যাবে বড়দিনের ছুটি কাটাতে!
কিন্তু কাজ পুরোদমে শুরু করার আগেই স্কুলের কিছু বখাটে ছেলের দুষ্কর্মের সাক্ষী হয়ে ফেঁসে গেলো সে। আল্টিমেটাম দেয়া হলো তাকে - হয় ধরিয়ে দাও অপরাধীদের, নয়ত শেষ তোমার ভবিষ্যৎ! কাজে এসে খেল আরো বড় ধাক্কা! কর্ণেল যে শুধু বদরাগী তাই না, বরং তার আছে বিশাল এক প্ল্যান - জীবনটাকে শেষবারের মতো উপভোগ করতে চান তিনি। তাই তাকে যেতে হবে নিউ ইয়র্ক!
একদিকে স্কুলের ঝামেলা, অন্যদিকে কর্ণেলের খেয়ালীপনা - চার্লি সম্ভবত পেতে যাচ্ছে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো!
প্রিয় পাঠক, আমার মতো নগন্য ব্লগারের পক্ষে রিভিউ লিখে এই মুভির আবেদন বুঝানো সম্ভব নয়। আমার সীমিত ক্ষমতায় যা কুলায় তাই লিখলাম। শুধু এটুকুই বলার আছে - এই মুভিটা না দেখলে আপনার মুভি দেখার ঝুলি থেকে যাবে অনেকটাই অসম্পূর্ণ।
IMDB রেটিং : 7.8/10
আমার রেটিং : 9.5/10
@@@ Md. Nazmush Shakib @@@











