Search

Showing posts with label Must See. Show all posts
Showing posts with label Must See. Show all posts
আমরা যারা ৯০ তে জন্মেছি তারা অবশ্যই স্টার মুভিজ , ওয়ার্ল্ড সিনেমা , এইচ,বি,ও দেখে বড় হয়েছি। আমরা কিছুতেই আমাদের সিনেমা প্রেমে নিকোলাস কেইজকে অস্বীকার করতে পারবনা। আইডিবি ঘুরে ঘুরে কেইজের সিনেমার ডিভিডি এনে এক নিশ্বাসে গিলে ফেলা। সেই সময়টা যেরকম সুন্দর- এখন অনেক মুভি দেখে ফেলার পরেও যখন দু-একটা কেইজ আবার দেখা হয় আরও ভালোলাগে, এই সময়টাও দারুন সুন্দর।
গতকাল দেখলাম Wild at Heart (1990) ।


অনেক দিন ভালো মুভি রেকমেন্ড করিনা। আজ আমার কিছু পছন্দের অন্যরকমের মুভি শেয়ার করছি। প্রতিটি মুভি আমার অস্মভব প্রিয়। বিভিন্ন জেনারে এরা পরিচিত হলেও এদের ভিতরে রোমান্টিকতা ঠাসা ঠাসা। আমি যে মুভিগুলো দিচ্ছি, সেখানে প্রতিটি মুভিতে কিছু বিষয় কমন থাকবে। যেমন, Interesting, emotional, eccentric, quirky, exciting love stories। আর এইসব সাব জেনার  মিলিয়ে একটা জেনার দাড় করালাম, Unconventional Love Story.
 বিঃদ্রঃ রোমান্টিকতায় সেরা কোরিয়ানরা। ইচ্ছা করেই কোরিয়ান মুভি কম রাখার চেষ্টা করেছি।
এখানের প্রতিটি ফিল্ম আমার প্রচন্ড পছন্দের এবং আমার প্রিয় তালিকার সবথেকে উপরের দিকে। এদের সবগুলো মুভিকে আমি ফাইভ ষ্টার রেটিং-এ আখ্যায়িত করে থাকি। আই এম ডি বি রেটিং দেখলে ঠকবেন। কিন্তু কিছু মুভি প্রচুর আনরেটেড>
W. Somerset Maugham এর উপন্যাস নিয়ে এই মুভি দাড় করানো হয়েছে। আমি মমের এয়ার হোষ্টেজটা পড়েছি। হাড়ির একটা ভাত টিপলেইতো বোঝা যায়। যতদুর মনে হলো লোকটা মানব মানবির সাইকোলজি নিয়ে লিখে মজা পান, যেটা আমাদের কবিগুরুও পেতেন। যাই হোক এটা হলো সেই মুভি যাতে মনমুগ্ধকর পরিবেশ,ভালোবাসার একটা নিরেট সঙ্গা, Edward Norton, Naomi Watts দুজন বিখ্যাত অভিনয় শিল্পী আছেন। 

হুট করে বিয়ে হয় ফেনের সাথে কিটির, কিন্তু সহসাই যেটা হয় কেউ একজন থাকতেই পারে। সেরকম কিটিরও একজন প্রেমিক আসে। বিয়ের পরেও তারা শারিরিক সম্পর্কে লিপ্ত থাকে। ফেন জেনে ফেলে, যদিও কিছু বলেনা। কিন্তু ভালোবাসার এই স্থিতি কষ্ট তাকে আঘাত করে। সাংহাইতে এক গ্রামে কলেরায় বেড়েছে, যেখানের ডাক্তারও কলেরায় মারা গেছে। সেখানেই কিটিকে যেতে বলে ফেন, নিজের সাথে। কিটি রাজি না হওয়াতে ফেন দুটি অপশন দেয়। ডীভোর্স অথবা ওখানে যাওয়া।প্রেমিকএর থেকে সাড়া না পেয়ে কিটি যেতে রাজী হলো। 

My Rating: 4.6(05)
কিছুদিন আগের একটা কাহিনিঃ
রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলাম। দেখি ছোট দুটো ছেলে মারামারি করছে। ৬ কি ৭ এর বছর এর বেশি না। মারামারির এক পর্যায়ে একটা ছেলের পরিবার পক্ষ সেখানে উপস্থিত। ২য় ছেলেটার খাল খিছে দিল। ঐটুকু ছোট বাচ্চাটাকে যে গালিগুলো শোনালো তা বলার মতো ক্ষমতা আমার নেই। যাহোক, নাটকিয়ভাবে গালাগালি ও তর্ক বির্তক এগিয়ে যাচ্ছে। ছোট ছেলেটা একাই পুরো পরিবারের সাথে তর্ক করছে। একটা সময়ে ২য় ছেলেটার পরিবার উপস্থিত। বাবা ও মা। বাবা যেন কি বললো ১ম ছেলেটার পরিবারকে উদ্দেস্য করে। ঐ পরিবার থেকে একজন ছুটে এসে বাবাকে লাথি মারলো। ছো্ট ছেলেটা, যে তর্ক করছিল, সে তখন বড় একটা ইট তুলে বিপরিত পক্ষকে ছুড়ে মারলো। আর সামনে এগিয়ে গেল লাথি মারবে বলে। আমি এতক্ষন নিরব দর্শক হিসাবে সব দেখছিলাম। ঐটুকূ ছেলের সাহস দেখে আমার মাথায় বাজ। তারপর ঠেকানোর চেষ্টা করলাম। অনেক কষ্টে কাজটা করা সম্ভব হলো।
পরে বুঝতে পারলাম আসলে সাহস না প্রতিশোধ স্পৃহা মানুষকে অমানুষ করে দেয়।

যাহোক কাহিনিটা কেন বললাম? মুভিটি দেখতে দেখতে এই কাহিনিটা বেশ মনে পড়ছিল।
মুভির কাহিনি কিছুটা বলি।
একজন মানুষকে অকারনে ১৫ বছর আমানুষিক নির্যাতনের মাঝে বন্দি করে রাখা হয়। সে জানেনা কি কারনে তাকে এই শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। একটু একটু করে এই বৃথা শাস্তি তাকে সাইকোতে রুপান্তরিত করে।
ভাবতে থাকে কি অপরাধ করেছে সে যাতে তাকে এত শাস্তি ভোগ করতে হচ্ছে। এক পর্যায়ে সে লিখতে শুরু করে কার কার সাথে সে খারাপ ব্যবহার করেছে কিন্তু কোনো সমাধান পায়না। যাই করেছে তার বিনিময়ে এত শাস্তি হওয়া স্বাভাবিক না।
যাহোক একসময়ে সে ছাড়া পায়। নতুন করে দেখে পৃথিবিকে। হারিয়ে যাওয়া সপ্ন খুজে বেড়ায় সে। মনে প্রতিশোধের আগুন। প্রতিশোধ কতটা করুন হতে পারে তা দেখে গা শির শির করবে।
কোরিয়ান কিছু কিছু মুভি বেশ দাগ ফেলে । এটা তেমন একটা মুভি। কিন্তু কিছুদুর গিয়ে মুভিটা তাল হারিয়ে ফেলবে। স্তব্দ হয়ে যাবেন নিশ্চিত। যেহেতু কোরিয়ান ভাষা, সাবটাইটেল বোঝার জন্য বারবার পজ করতে হবে।
 যাহোক রেডি থাকবেন শেষে একটা বিশাল ধাক্কা খেতে হবে নিশ্চিত। কেন যেন খুব রেগে যাবেন। আপনার এই রাগ প্রমান করবে আপনি মুভিটির কতটা ভিতরে ঢুকতে পেরেছেন। যাহোক এই মুভি দেখে ১ সপ্তাহ আপনার মাথা হ্যাং থাকবে নিশ্চিত। আপনার চিন্তা ভাবনাকে গ্রাস করবে। স্বাভাবিক। আমার দেখা সেরা মুভির একটি।  
আই এম ডিবি এটাকে রেটিং দিয়েছে ৮'৪
My Rating: 4.6 (05)
আবার একটা ঝাক্কি ফিল্ম। মানে টুইষ্ট এন্ডিং আর কি। কানের নিচে থাবা খেতে ভালো লাগে তার প্রমান এসব ফিল্ম প্রেম। গিন্টিস ব্রাড পিট আর বাপজান মরগ্যান। সুপার মুভি। সপ্তপাপের আইডিয়াটা যদিও হাসান ভাই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু আগে থেকে এরকমই ভেবেছিলাম। আইডিয়াটা জোশ হইছে। থ্রিলার মুভি। দুই গোয়েন্দা সল্ভ করে একটা কেসের। সিরিয়াল কিলারের। যারা নতুন এই মুভির সামুতে সার্চ দিয়েছেন, আর এই লিঙ্ক পেয়েছেন, তাদের বলছি এই মুভি দেখার জন্য কোনো রিভিউ পড়ার দরকার নেই। জাষ্ট প্লে করুন। বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না। কিন্তু লাষ্টেরর ১০ মিনিট বার বার দেখবেন আশা করি।কেভিনের উপসস্থিতি ফিল্মটাকে আরও জোরালোভাবে উপস্থাপন করেছে। তারকাবহুল এই ফিল্ম থেকে ইতিমধ্যে নিশ্চয়ই অনেক আশা ব্যক্ত করে ফেলেছেন। গারান্টি আমার দেখতে বসে যান, শতভাগ উসুল হতে যাচ্ছে।
My Rating: 4.1 (05)
সেই রকমের প্রকৃতিপ্রদত্ত ফিল্ম। পরিবারের উপরে রাগ করে ঘর ছাড়লে। ভাগলে জঙ্গলে, বন্ধু হলো প্রেম হলো, বিভিতস জগত দেখা হলো। হাজার হাজার জানা হলো, করুনে মরা হলো। পেলেটাকি ?

শান্তি ? প্রশান্তি ? আক্ষেপ ? ক্ষমা ? অভিশাপ?

তাহলে, কি , কি কি ? পেলে কি ?

অনন্য সুন্দর একটা মুভি। এক কথায় এর প্রকাশ সম্ভব না।

My Rating: 4.2(05)
জার্মানি মুভি। পারফিউমের পরিচালক। অসাধারন সুন্দর করে নির্মান করেছেন। আইডিয়াটা কঠিন। হালের সোর্চ কোড মুভিটার আইডিয়া এটা থেকে কাট করা। হুবহু কপি না। আইডিয়াটা নেওয়া। মানেতো, বুঝতেই পারছেন। 
৮০ মিনিটের মুভি ১০ মিনিট শেষ হলো। মুগ্ধ হয়ে মুভিটা দেখছিলাম। হঠাত করেই শেষ। ১০ মিনিট টাইম নিয়ে ভাবলাম । কি দেখলাম।
আসলে ঘটনাটা কি !!
ঘটনা তেমন কিছুই না একদম সাদাসিধে। তাই বলে আর মজা নষ্ট করছি না। সোজা বসতে যান। তখনই বুঝবেন কি থেকে কি দেখলেন।

কিছু কিছু মুভি আছে যেগুলো দেখার পরও তার আবেদন কোনো অংশে ফুরায় না। Scent of a Woman ঠিক সেই ধরণের বিরল মুভিগুলোর একটা। মুভিটা দেখার পর স্তব্ধ হয়ে ভাবছিলাম, একটা মুভি কিভাবে এতটা হৃদয়গ্রাহী হয়! কোন রক্ত মাংশের মানুষের পক্ষে কিভাবে সম্ভব এতটা নিখুঁতভাবে নিজের চরিত্রকে রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা! আমার মনে হচ্ছিলো যে জীবনে আমার আর কোন মুভি দেখা হয় নাই! আর কোন মুভি জীবনে না দেখলেও ক্ষতি নাই!

মুভিটার নাম ভুমিকায় অভিনয় করেছেন Al Pacino ।ভদ্রলোকের অনেক মুভি দেখেছি আগে। কিন্তু বাজী ধরে বলতে পারি এই মুভিটা না দেখে যদি বলতাম "আমি আল পাচিনোর মুভি দেখেছি - তার অভিনয় আমার অনেক ভালো লাগে, তিনি একজন ওস্তাদ অভিনেতা" সেটা হতো মিথ্যা বলা! এই মুভিটা না দেখলে অভিনেতা আল পাচিনো কে চেনা যাবে না। জানা যাবে না কতো বড় মাপের অভিনেতা তিনি। স্যালুট টু আল পাচিনো! উল্লেখ্য, এই মুভিতে অভিনয় করে তিনি অস্কার পেয়েছিলেন।

পাঠক, বিশ্বাস করুণ, উপরের প্যারা দুটি দিয়ে আমি আমার মুগ্ধতার কিয়দংশ মাত্র প্রকাশ করেছি।আমি নগণ্য ব্লগার, কতোটুকুই বা আমার প্রকাশ ক্ষমতা! আমি আমার সীমিত লেখনিতেই প্রকাশ করলাম আমার ভালোবাসা। শুধু একটা কথাই বলতে পারি, এই মুভিটা দেখার পর এখন থেকে আল পাচিনো আমার চোখে অল টাইম বেস্ট। জানিনা কোনো দিন এই ধারণা পালটে দেয়ার মত আর কোনো অভিনেতা আসবেন কি না!

এবার নজর দেয়া যাক মুভির দিকে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফ্র্যাঙ্ক স্লেড (আল পাচিনো) একজন রিটায়ার্ড আর্মি অফিসার। অন্ধ, আত্যন্ত বিদ্ঘুটে মেজাজ। দুনিয়ার সব কিছুর উপর রেগে থাকা, বেঁচে থেকেও জীবনের উপর বীতশ্রদ্ধ এক হতভাগ্য ব্যাক্তি। জীবন একসময় তাকে সব দিয়েছিলো। কালের প্রবাহে আজ তিনি অন্ধ। একসময়ের পরাক্রমশালী আর্মি আফিসারের চোখে জীবন এখন শুধুই বোঝা মাত্র!

অন্যদিকে চার্লি সিমস (ক্রিস ও' ডোনেল) একটা স্বনামধন্য প্রিপারেটরী স্কুলের ছাত্র। তার আশে পাশের সবাই বিশাল অর্থবান পিতার সন্তান। কিন্তু সে আলাদা। সে এই স্কুলে পড়তে এসেছে স্কলারশিপ নিয়ে। বাবা মা থাকেন বহু দূরে, অরিগনে (USA) একটা কনভিনিয়েন্স স্টোর চালান তারা।
চার্লি বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি যাবে, কিন্তু বিমান ভাড়া নেই যে! কি আর করা পার্ট টাইম জব হিসাবে যোগ দিলো কর্ণেল এর সাহায্যকারী হিসেবে। উদ্দেশ্য বিমান ভাড়ার টাকা জমিয়ে বাড়ি যাবে বড়দিনের ছুটি কাটাতে!

কিন্তু কাজ পুরোদমে শুরু করার আগেই স্কুলের কিছু বখাটে ছেলের দুষ্কর্মের সাক্ষী হয়ে ফেঁসে গেলো সে। আল্টিমেটাম দেয়া হলো তাকে - হয় ধরিয়ে দাও অপরাধীদের, নয়ত শেষ তোমার ভবিষ্যৎ! কাজে এসে খেল আরো বড় ধাক্কা! কর্ণেল যে শুধু বদরাগী তাই না, বরং তার আছে বিশাল এক প্ল্যান - জীবনটাকে শেষবারের মতো উপভোগ করতে চান তিনি। তাই তাকে যেতে হবে নিউ ইয়র্ক!

একদিকে স্কুলের ঝামেলা, অন্যদিকে কর্ণেলের খেয়ালীপনা - চার্লি সম্ভবত পেতে যাচ্ছে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো!

প্রিয় পাঠক, আমার মতো নগন্য ব্লগারের পক্ষে রিভিউ লিখে এই মুভির আবেদন বুঝানো সম্ভব নয়। আমার সীমিত ক্ষমতায় যা কুলায় তাই লিখলাম। শুধু এটুকুই বলার আছে - এই মুভিটা না দেখলে আপনার মুভি দেখার ঝুলি থেকে যাবে অনেকটাই অসম্পূর্ণ।

IMDB রেটিং : 7.8/10
আমার রেটিং : 9.5/10

@@@ Md. Nazmush Shakib @@@
সেরা জুটির কথা উঠলেই উত্তম সুচিত্রার নাম যে কেউ আগে বলবে। কেন ? কারন মুভি দেখলেই বোঝা যায়। এত জোশ ক্যামেষ্ট্রি। সত্যিই রেয়ার !!!
ইদানিং উত্তম সুচিত্রার কিছু মুভি দেখা হয়েছে। একটা একটা করে সিবগুলো মুভির রিভিউ দিয়ে দিব। ডাউনলোড লিঙ্কসহ। ডাউনলোড লিঙ্ক নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমার কাছে সব সংগ্রহ করা আছে। দরকার পরলে আপ্লোড করে দিব।
আজ আমাদের কথা হবে উত্তম-সুচিত্রার একটা মুভি যার নাম বিপাশা। নায়িকা ভিত্তিক মুভি হলেও নায়কের চরিত্রের গুরুত্ত্ব বেশি। পুরোনো মুভি দেখে যারা নাক কোচকান তাদের জন্য আমার কিছু সাজেশন আছে। সেই বিষয়েও আগামীতে লিখবো। যাই হোক কাহিনি হালকা জেনে নেই।



সেরা এবং ভালো মুভির লিষ্ট অনেক হয়েছে। Imdb 250 সেদিক থেকে সব থেকে বিবেচনামূলক এতদিন তাই ভেবে আসছিলাম। কিন্তু আজ একটা লিষ্ট পেয়ে চমকে গেলাম। একেবারে আমার মনের মত। এখানে সর্বকালের সবথেকে ভালো মুভিগুলোর একটা লিষ্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এখানে রেটিংকে গুরুত্ত না দিয়ে ভোটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১১ সালে এর শেষ আপডেট করা হয়েছে। সাধারনত আমি যে মুভিগুলো দেখে মুগ্ধ হয়েছি, সেই মুভিগুলোকে লিষ্টের প্রথমে দেখে বেশ অবাক হলাম। আর সিনেঘরে দিয়ে নিজের ডাটাবেজ রাখলাম পাশাপাশি শেয়ারিংও হলো। এখানে প্রায় ১২০০+ মুভি আছে।আমার দেখা মুভিগুলো আমি লাল কালিতে চিহ্নিত করে দিব।



আমার সর্বদাই নন হলিউড বিশেষ করে এশিয়ান ফিল্মগুলো ভালো লাগে। আর এশিয়ান ফিল্মের ভিতরে সব থেকে ভালো ফিল্ম বানায় সাউথ কোরিয়ানরা। যদি ওদের বেশি ফিল্ম আমি দেখি নাই। কিন্তু কিছু মুভি আমার টার্গেটে আছে। মুভি নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে অনেক কিছুই চোখে পরে যায়। আর আমার ফলো লিষ্টে প্রায় ১০০ এর উপরে মুভি ইনফো সাইট আছে। তারাও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দিক থেকে রেকমেন্ড করে। তাই সহসাই বলা যায় মুভিগুলো বেশ ভালো হবে। আর আমি এখানে কিছু স্পেশাল কোরিয়ান মুভির লিষ্ট দিলাম। ৭ পর্বে শেষ করা হবে। যা আমি মাষ্ট বলছি এবং আশা রাখি আপনারা আমার সাথে একমত হবেন। আমি টুকরো কিছু কথা বলে দিবো। এবং এখানের প্রটিতি মুভি নিয়ে আলাদা আলাদা করে পোষ্ট হবে।



যারা আমার ব্লগ পড়েন তারা মাত্রই জানেন যে আমি পিওর ড্রামা খুব পছন্দ করি। যদিও ক্রাইম ড্রামাই আমি বেশি দেখি কিন্তু পিওর ড্রামা আমার সবথেকে প্রিয়। বাংগালির ছেলে, বড় হয়েছি আকাশ,বাতাসের সংস্পর্শে, পরিমিত আবেগ এবং খুব কাছ থেকে ছুটতে থাকা মানুষের ঘামে জীবনের লবনাক্ত স্বাদ পেয়েছি। যুক্তির এ পর্যায়ে পিওর ড্রামা ভালোলাগা কি স্বাভাবিক না।
এর আগে আমি একবার ড্রামা জেনার ভিতর ও বাহিরের কথা বলেছি। এবং আমার পছন্দের সেরা কিছু ড্রামা মুভির কথাও উল্লেখ করেছি। পোষ্টটি এখানে।

ড্রামা পরিচিত সাধারনত মানুষের জীবনের ভার্চুয়ান সংস্করন হিসেবে। তারমানে বুঝতে পারছেন ?
ড্রামা ফিল্ম একমাত্র জীবনের কথা বলে। পরিস্কার জীবনের ফলাফল। সত্যিকার অর্থে জীবনধারন ও এর কর্মকর্তাদের সমালোচনাই হলো ড্রামা সংগা।
এশিয়ান ফিল্মগুলো আমার বেশ ভালোই লাগে। কারন আছে, পরিবেশ, আর চেনা জানা গল্প। বাপ দাদাদের মুখে শোনা আর ইতিহাস বইয়ের সাথে কিছুটা মিল বেশ ভালোই লাগে। অন্তত্য বারুদ পোড়া গন্ধটার থেকে ভালো। ঢাল তলোয়ারের ব্যাপারগুলো বেশ আকর্ষনিয়।
Red Cliff সেরকমের একটা ফিল্ম। এ ধরনের ফিল্মগুলো আমি জাষ্ট গিলি। ভাষাগত দিক দিয়ে কিছুটা সমস্যা সর্বদাই হয়, কিন্তু ভালোলাগার পরিমান অপরিবর্তনিয়।
প্রাচিন চিনের থ্রি কিংডম এর উপর ভিত্তি করে বেশ কয়েকটা মুভি হয়েছে। আমিও বেশ কয়েকটা দেখেছি। কিন্তু এটা ছিল একটু আলাদা। এটা বেশ বড় লেনথ এর মুভি। ২ খন্ডে ভাগ করে ২ বছরে রিলিজ করা হয়েছে।  জন উ এটা পরিচালনা করেছেন বেশ কারিগরির মাধ্যমে। সর্বকালের সব থেকে বেশি খরচে এশিয়ান ফিল্ম এটা। দেখানোর তাগিদেই প্রচুর খরচ করেছেন তিনি। জমিয়ে জমিয়ে।


বাংলাদেশের চলচ্চিত্র' বলতে অবিভক্ত বঙ্গ (১৯৪৭ পর্যন্ত) থেকে শুরু করে পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বোঝায়। অবিভক্ত বাংলার চলচ্চিত্র অংশটুকু স্থান-কাল বিচারে এই নিবন্ধ এবং পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র নিবন্ধে আলোচিত হবে। অবিভক্ত বঙ্গের যে চলচ্চিত্রগুলোর সাথে পূর্ব বঙ্গের সম্পর্ক ছিল সেটুকুই এখানে আলোচিত হবে।

ইনশেপশন দেখেছেন???
খুব ভাবিয়েছে তাইনা ?

স্বাভাবিক !!
হ্যা এরকম কিছু মুভির নাম জানাবো আজকে যেগুলো সপ্নের উপর করা হয়েছে, সপ্নকে থিম ধরে নির্মান করা হয়েছে মুভিগুলো।
কিছু কিছু তুলনা করেছে বাস্তব আর সপ্নের।
কিছু কিছুতে বাস্তবকে সপ্নের রুপান্তর ব্যাখা দিয়েছে।
কিছু কিছু বাস্তবের সমাধান দিয়েছে মুভিতেই।

কোন আবার সপ্নের আলসেমিকে হরর হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোথাও আবার গুরুত্ত্ব অতিরিক্ত দেওয়া হয়েছে। বাস্তবতার আলক্ষে সৃষ্টি এই মুভিগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলোঃ

ক্রাইম,ড্রামা। আমার খুব পছন্দের একটা জেনার। মনমুগ্ধ হয়ে এই মুভিগুলো উপভোগ করার জন্যই। 
সাধারনত মুভিগুলো সত্যিকার কাহিনি অবলম্বনেই করা হয়। যাতে করে ব্যাপারটা আর সুন্দর করে মানুষের কাছে উপস্থাপন করা যায়। নিয়মিত বের হছে অজস্র ক্রাইম, ড্রামা ফিল্ম  । কোটিদের ভিড়ে City of God বেচে থাকা একটা জিনের মত। সপ্তাহ হলো দেখলাম। এরকম অসাধারন ইন্টারটেইনমেন্ট খুব কম মুভিতেই পেয়েছি। ২ ঘণ্টার মুভি চোখের পলকে সময় গিললো। টেনে ছেচড়ে নিয়ে গেল ব্রাজিলে, একটা নষ্ট সময়ে, অরক্ষিত পরিবেশ এবং অসম্মানের দেশে।

ইন্ডিয়ার প্রথম এবং সেরা সুপার হিরো মুভি।অচিরেই আসছে কিং খান শাহরুখের Ra one । এই মুভি যতটা আলোচনায় এর আগে কোনো মুভি ইন্ডীয়ায় এমন আলোচনায় এসেছে বলে মনে হয় না। যাই হোক আসুন দেখা যাক এই মুভি কি দিতে যাচ্ছে আমাদের। অসাধারন মুভির পোষ্টার টা একবার ভালো ভাবে খেয়াল করি। ঘটনা ধরতে পেরেছেন।

A Clockwork Orange !!! ধ্রুপদী সঙ্গীত,ধর্ষণ ও অতিমাত্রায় সহিংসতা এর মূল আকর্ষন। 

Stanley Kubrick এর পরিচালনা, Malcolm McDowell এর অভিনয় আর টানটান কাহিনির সমন্বয়ে এটা একটা টাইমবোম্বে পরিনত হয়েছে। কিছু মুভি থাকে যার কোনো তুলনা হয় না। এটা সেরকমেরই একটা মুভি। আমার দেখা সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। ব্যক্তিগতভাবে একে আমি রেটিং দিব ৯.৫ ।

এটি প্রধান চারটা শাখায়   অস্কার নোমিনেশন পেলেও জিওততে পারেনি। সেবার অস্কার ঘরে নিয়েছে The French Connection

যাই হোক, কিছু মুভি আছে যা আলোচনার অন্তহিন। মানে যা নিয়ে ঘন্টারপর ঘন্টা আলোচনা করা যায়। এটা সেরকম একটা মুভি।


বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থি এই সিরিজটা পড়েছে। এবং আমার মত তারাও বেশ মজা পেয়েছে। ৪-৫ টা বাদে রানার সকল বই কোনো না কোনো বইয়ের ছায়া অবলম্বনে বা রুপান্তর। আর সেসব রাশিয়ান,থাইলান্ড এবং ইংলিশ বইয়ের কাহিনি নিয়েও তৈরী হয়েছে মুভি। আমি এখন সেরকম কিছু মুভির নাম বলবো। MR-9 ফ্যানরা, এখন ভিজুয়ালে পাবে রানার স্বাদ। ব্লগার, মুভি পাগলা দ্বিপের নতুন আকর্ষন। তো আর দেরি নয় শুরু করা যাক।
প্রথমে মাসুদ রানার সেরা ২ টা বইয়ের ইংলিশ মুভির নাম দেই।
ড্রামা মানে হলো বাস্তবসম্মত নাটক । অর্থাৎ অভিনয়ের ছলে বাস্তবতাকে ফুটিয়ে তোলাকেই ড্রামা বলে। সাধারনত নাট্যমঞ্চের অভিনয়কেই ড্রামা বলা হয়। কিন্তু ফিল্ম জেনারের একটা টার্মও হলো ড্রামা। যার সংগা অনেকটা এক আবার ভিন্ন।


সাধারনত ড্রামা ফিল্ম বলতে বাস্তব,বিশ্বাসযোগ্য গল্প যাতে রয়েছে আবেগের ছড়াছড়ি আর নান প্রশ্নের উত্তর, যাতে রয়েছে জীবনের নানা দিক, শিক্ষা। সংস্কৃতি আর কিছু মনকাড়া সংলাপ যা সাধারনত আমরা বলে থাকি এবং শুনে থাকি প্রতিনিয়ত।


আমার সব থেকে পছন্দের জেনার হলো ড্রামা। আজ সকালে হিসেব করে দেখলাম আমার প্রায় দুই শতাধিকের উপরে ড্রামা ফিল্ম দেখা হয়েছে। ৭০ % ড্রামা ফিল্ম আমার কাছে ভালো লেগেছে। ভাবলাম এই ভালো লাগাটা শেয়ার করি।