My Rating: 3.2(05)আরেকটা কোপা মুভি। পরিচালনা করেছেন David Lean । T.E. Lawrence এর লেখনির উপরে ভিত্তি করী গল্প দাড় করানো হয়েছে। যতদুর জানা যায় সম্পুর্ন ব্যস্তব কাহিনির ভিত্তিতেই এটা তৈরী হয়েছে। আর অভিনয় করেছেন Peter O'Toole । একঝাক পাখির উড়ে যাবার মত প্রানবন্ত অভিনয় ছিল তার।
এপিক মুভির উপরে আমার বেশ দুর্বলতা আছে। যেমন কোপাকুপি ভেবেছিলাম সেরকমের একদমই না ফিল্মটা। আডভেঞ্চার ড্রামা বললে সুন্দর যায়। ওই আরব ও ততকালিন সমাজকে একটু চেখে দেখালেন পরিচালক। বিস্তারিতে যাবনা কথা বাড়বে, একটু একটু বলি, তাহলো প্রচুর ভিউ থেকে মুভিটি দেখা যায়।
My Rating: 4.2(05)
জার্মানি মুভি। পারফিউমের পরিচালক। অসাধারন সুন্দর করে নির্মান করেছেন। আইডিয়াটা কঠিন। হালের সোর্চ কোড মুভিটার আইডিয়া এটা থেকে কাট করা। হুবহু কপি না। আইডিয়াটা নেওয়া। মানেতো, বুঝতেই পারছেন।
৮০ মিনিটের মুভি ১০ মিনিট শেষ হলো। মুগ্ধ হয়ে মুভিটা দেখছিলাম। হঠাত করেই শেষ। ১০ মিনিট টাইম নিয়ে ভাবলাম । কি দেখলাম।
আসলে ঘটনাটা কি !!
ঘটনা তেমন কিছুই না একদম সাদাসিধে। তাই বলে আর মজা নষ্ট করছি না। সোজা বসতে যান। তখনই বুঝবেন কি থেকে কি দেখলেন।
My Rating: 3.8(05)
অনেকে রোমান্টিক কমেডি দেখে। আমার আবার পছন্দ না। রোমান্টিক ড্রামা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে। আমার মনে হয় দুনিয়ায় যত রোমান্টিক ড্রামা আছে তার ভিতরে এই মুভিটা এক নম্বর। অসাধারন একটা মুভি। যারা প্রেমে পরেছিলেন, পড়বেন বলে ভাবছেন, পরে হাবুডুবু খাচ্ছেন তা্রা এই ফিল্ম মিস করবেন না। করা উচিত হবে না। আমার দেখা সেরা রোমান্টিক। আহা, ভালোবাসা কত সুন্দর।কোরিয়ান মুভি। ভাষাগত সমস্যা। সাবটাইটেলে প্রান ভরেনা। পরতে গেলে সিন মিস, সিন দেখতে গেলে সাটা মিস।
অনেকে রোমান্টিক কমেডি দেখে। আমার আবার পছন্দ না। রোমান্টিক ড্রামা আমার কাছে বেশী ভালো লাগে। আমার মনে হয় দুনিয়ায় যত রোমান্টিক ড্রামা আছে তার ভিতরে এই মুভিটা এক নম্বর। অসাধারন একটা মুভি। যারা প্রেমে পরেছিলেন, পড়বেন বলে ভাবছেন, পরে হাবুডুবু খাচ্ছেন তা্রা এই ফিল্ম মিস করবেন না। করা উচিত হবে না। আমার দেখা সেরা রোমান্টিক। আহা, ভালোবাসা কত সুন্দর।কোরিয়ান মুভি। ভাষাগত সমস্যা। সাবটাইটেলে প্রান ভরেনা। পরতে গেলে সিন মিস, সিন দেখতে গেলে সাটা মিস।
My Rating: 3.0(05)
লিয়াম নিসনর মুভি,টেকেন। ২০০৮ সালে রিলিজ করেই বক্স অফিসে একটা তাক লাগিয়ে দেয়। পাশাপাশি সমালোচকদেরও। রিভেঞ্জ নিয়ে ফিল্মের কাহিনি। বালপাকনা মেয়ে কিডন্যাপ আর তাকে উদ্ধার করা নিয়ে ফিল্ম। সেপারেশন এবং অন্য স্বামির হাতে তুলে দিয়েছেন নিজের স্ত্রিকে একটা বিচ্ছেদে। কিন্তু নিজের মেয়ে,রক্ত কি ভোলা যায়। থেকে যায় টান ভালোবাসার।
মুভিতে বেশ চাঞ্চল্য ছিল। উত্তেজনাও ছিল। আর ছিল হলিঊডি থ্রিলিং মিউজিকের সাথে সাথে নৃত্যরত একশ্যন। খুব অল্পতেই সময় গিয়েছে। ধারি মুভি। চেনা জানা পল্ট। কিন্তু নতুনত্ত আছে।যারা সাধারনত প্রতিশোধ একশন টাইপ ফিল্ম পছন্দ করেন তাদের জন্য মাষ্ট সি। অন্যরা সময় পেলে দেখে নিবেন।
আই এম ডি বি সেরা ২৫০ লিষ্ট আজ থেকে আর ফলো করুম না। নিজের মনে যা চায় সেই ফিল্ম দেখুম।
তাহারা, 3 Idiots (2009) নিজেদের ২৫০ এ ঢুকাইছে।
এবং Shutter Island,Kill Bill: Vol. 2,Nausicaä of the Valley of the Wind (1984),Three Colors: Red (1994) মাষ্টার পিচগুলোর আগে রেখেছেন।
খুব ভালা কথা।
আমি আজ থেকে আর নাই, ওদের দলে।
তাহারা, 3 Idiots (2009) নিজেদের ২৫০ এ ঢুকাইছে।
এবং Shutter Island,Kill Bill: Vol. 2,Nausicaä of the Valley of the Wind (1984),Three Colors: Red (1994) মাষ্টার পিচগুলোর আগে রেখেছেন।
খুব ভালা কথা।
আমি আজ থেকে আর নাই, ওদের দলে।

কিছু কিছু মুভি আছে যেগুলো দেখার পরও তার আবেদন কোনো অংশে ফুরায় না। Scent of a Woman ঠিক সেই ধরণের বিরল মুভিগুলোর একটা। মুভিটা দেখার পর স্তব্ধ হয়ে ভাবছিলাম, একটা মুভি কিভাবে এতটা হৃদয়গ্রাহী হয়! কোন রক্ত মাংশের মানুষের পক্ষে কিভাবে সম্ভব এতটা নিখুঁতভাবে নিজের চরিত্রকে রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা! আমার মনে হচ্ছিলো যে জীবনে আমার আর কোন মুভি দেখা হয় নাই! আর কোন মুভি জীবনে না দেখলেও ক্ষতি নাই!
মুভিটার নাম ভুমিকায় অভিনয় করেছেন Al Pacino ।ভদ্রলোকের অনেক মুভি দেখেছি আগে। কিন্তু বাজী ধরে বলতে পারি এই মুভিটা না দেখে যদি বলতাম "আমি আল পাচিনোর মুভি দেখেছি - তার অভিনয় আমার অনেক ভালো লাগে, তিনি একজন ওস্তাদ অভিনেতা" সেটা হতো মিথ্যা বলা! এই মুভিটা না দেখলে অভিনেতা আল পাচিনো কে চেনা যাবে না। জানা যাবে না কতো বড় মাপের অভিনেতা তিনি। স্যালুট টু আল পাচিনো! উল্লেখ্য, এই মুভিতে অভিনয় করে তিনি অস্কার পেয়েছিলেন।
পাঠক, বিশ্বাস করুণ, উপরের প্যারা দুটি দিয়ে আমি আমার মুগ্ধতার কিয়দংশ মাত্র প্রকাশ করেছি।আমি নগণ্য ব্লগার, কতোটুকুই বা আমার প্রকাশ ক্ষমতা! আমি আমার সীমিত লেখনিতেই প্রকাশ করলাম আমার ভালোবাসা। শুধু একটা কথাই বলতে পারি, এই মুভিটা দেখার পর এখন থেকে আল পাচিনো আমার চোখে অল টাইম বেস্ট। জানিনা কোনো দিন এই ধারণা পালটে দেয়ার মত আর কোনো অভিনেতা আসবেন কি না!
এবার নজর দেয়া যাক মুভির দিকে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফ্র্যাঙ্ক স্লেড (আল পাচিনো) একজন রিটায়ার্ড আর্মি অফিসার। অন্ধ, আত্যন্ত বিদ্ঘুটে মেজাজ। দুনিয়ার সব কিছুর উপর রেগে থাকা, বেঁচে থেকেও জীবনের উপর বীতশ্রদ্ধ এক হতভাগ্য ব্যাক্তি। জীবন একসময় তাকে সব দিয়েছিলো। কালের প্রবাহে আজ তিনি অন্ধ। একসময়ের পরাক্রমশালী আর্মি আফিসারের চোখে জীবন এখন শুধুই বোঝা মাত্র!
অন্যদিকে চার্লি সিমস (ক্রিস ও' ডোনেল) একটা স্বনামধন্য প্রিপারেটরী স্কুলের ছাত্র। তার আশে পাশের সবাই বিশাল অর্থবান পিতার সন্তান। কিন্তু সে আলাদা। সে এই স্কুলে পড়তে এসেছে স্কলারশিপ নিয়ে। বাবা মা থাকেন বহু দূরে, অরিগনে (USA) একটা কনভিনিয়েন্স স্টোর চালান তারা।
চার্লি বড়দিন উপলক্ষে বাড়ি যাবে, কিন্তু বিমান ভাড়া নেই যে! কি আর করা পার্ট টাইম জব হিসাবে যোগ দিলো কর্ণেল এর সাহায্যকারী হিসেবে। উদ্দেশ্য বিমান ভাড়ার টাকা জমিয়ে বাড়ি যাবে বড়দিনের ছুটি কাটাতে!
কিন্তু কাজ পুরোদমে শুরু করার আগেই স্কুলের কিছু বখাটে ছেলের দুষ্কর্মের সাক্ষী হয়ে ফেঁসে গেলো সে। আল্টিমেটাম দেয়া হলো তাকে - হয় ধরিয়ে দাও অপরাধীদের, নয়ত শেষ তোমার ভবিষ্যৎ! কাজে এসে খেল আরো বড় ধাক্কা! কর্ণেল যে শুধু বদরাগী তাই না, বরং তার আছে বিশাল এক প্ল্যান - জীবনটাকে শেষবারের মতো উপভোগ করতে চান তিনি। তাই তাকে যেতে হবে নিউ ইয়র্ক!
একদিকে স্কুলের ঝামেলা, অন্যদিকে কর্ণেলের খেয়ালীপনা - চার্লি সম্ভবত পেতে যাচ্ছে তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো!
প্রিয় পাঠক, আমার মতো নগন্য ব্লগারের পক্ষে রিভিউ লিখে এই মুভির আবেদন বুঝানো সম্ভব নয়। আমার সীমিত ক্ষমতায় যা কুলায় তাই লিখলাম। শুধু এটুকুই বলার আছে - এই মুভিটা না দেখলে আপনার মুভি দেখার ঝুলি থেকে যাবে অনেকটাই অসম্পূর্ণ।
IMDB রেটিং : 7.8/10
আমার রেটিং : 9.5/10
@@@ Md. Nazmush Shakib @@@
The Adjustment Bureau ২০১১ সালে রিলিজকৃত একটা রোমান্স,থ্রিলার ফিল্ম। পরিচালনা করেছেন George Nolfi এবং অভিনয় করেছেন Matt Damon, Emily Blunt । এটাই পরিচালকের প্রথম কাজ। এর আগে তিনি বর্ন আল্টিমেটাম এবং অসেন ১২ এর মত ফিল্মগুলোতে স্ক্রিনপ্লে লিখেছেন। অস্কার বিজয়ী ম্যাট ডেমনের ফিল্ম মানেই প্রেরনাময়ী। স্বাভাবিক। ডেমন এর আগে দ্যা বর্ন ট্রিওলজি, ডিপার্টেড, গুড উইল হাংটিং ইত্যাদি সেরা ফিল্গুলোতে বেশ প্রতিপত্তের সাথে অভিনয় করেছেন। তাছাড়া হলিঊদের বর্তমান সময়ের সেরাদের অবশ্যি একজন।
মুভিটিকে কিছু্টা সাইফাইয়ের ভিতরে থেকে, অন্যরকমের একটা লজিকে কিছুটা রোমান্সের আবহে গড়ে তোলা হয়েছে। ১.৪৫ মিনিটের ফিল্ম। মোটামুটি ভালোলেগেছে ফিল্মটা। বান্যিজিক পাশাপাশি টাইমপাস মুভি। রানিং টাইমের সাথে মুভির স্পিড বেশ ভালো ছিল।
সেরা জুটির কথা উঠলেই উত্তম সুচিত্রার নাম যে কেউ আগে বলবে। কেন ? কারন মুভি দেখলেই বোঝা যায়। এত জোশ ক্যামেষ্ট্রি। সত্যিই রেয়ার !!!
ইদানিং উত্তম সুচিত্রার কিছু মুভি দেখা হয়েছে। একটা একটা করে সিবগুলো মুভির রিভিউ দিয়ে দিব। ডাউনলোড লিঙ্কসহ। ডাউনলোড লিঙ্ক নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। আমার কাছে সব সংগ্রহ করা আছে। দরকার পরলে আপ্লোড করে দিব।
আজ আমাদের কথা হবে উত্তম-সুচিত্রার একটা মুভি যার নাম বিপাশা। নায়িকা ভিত্তিক মুভি হলেও নায়কের চরিত্রের গুরুত্ত্ব বেশি। পুরোনো মুভি দেখে যারা নাক কোচকান তাদের জন্য আমার কিছু সাজেশন আছে। সেই বিষয়েও আগামীতে লিখবো। যাই হোক কাহিনি হালকা জেনে নেই।

স্নায়ুযুদ্ধের সময়কাল। ১৯৬২ সাল। মানব সভ্যতা সম্মুখিন হলো ২য় বিশ্বযুদ্ধ উত্তর সবচে বড় হুমকির। দুই সামরিক পরাশক্তি - সোভিয়েত ইউনিয়ন আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্মুখীন পরস্পরের। পৃথিবী কেঁপে উঠলো ৩য় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কায়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন চায় কিউবায় মিসাইল বেস বানাতে। যাতে মুহূর্তের ব্যাবধানে ধুলায় মিশিয়ে দেয়া যায় যুক্তরাষ্ট্রকে! কেন ? কারন, যুক্তরাষ্ট্র গোপনে মিসাইল বেস স্থাপন করেছে তুরুস্কে। ঘরের পাশের এতো বড় হুমকি সহ্য করতে পারে নি সোভিয়েত পলিটব্যুরো! তাই তারা ঠিক করেছে মিসাইল বেস বানাবে কিউবায় - গুঁড়িয়ে দিবে মার্কিন দম্ভ!




